প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
শনিবার উদ্বোধন হচ্ছে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান কর্মসূচি
মোঃ হাবিব, স্টাফ রিপোর্টার ||
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আগামী শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের ধর্মীয় প্রতিনিধিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার এই বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসান-এর পাঠানো বার্তায় জানানো হয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় সেবকদের যে প্রত্যাশা ছিল তা পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন মসজিদে দায়িত্ব পালনকারী ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি দিতেই সরকার সম্মানী প্রদানের এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেবল ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরই নয়, বরং দেশের অন্যান্য ধর্মের প্রতিনিধিদেরও এই সম্মানী কার্যক্রমের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, একই দিনে মসজিদের খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েত, এবং বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের জন্যও সম্মানী প্রদানের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হবে। এর ফলে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের মধ্যে সমতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধ আরও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।সরকারের এই উদ্যোগকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকরা আর্থিক সহায়তা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রত্যাশা করে আসছিলেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নের পথে অগ্রগতি ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিনিধিদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। জানা গেছে, এই সম্মানী কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে সারা দেশের কয়েক হাজার ধর্মীয় সেবক সরাসরি উপকৃত হবেন। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যথাযথ যাচাই-বাছাই এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে সম্মানী বণ্টনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় সেবকদের প্রতি সরকারের আন্তরিকতা ও ইতিবাচক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। একই সঙ্গে এই কর্মসূচি দেশের সামাজিক স্থিতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর