প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
"বিগত তিন সংসদ নিয়ে প্রশ্ন: 'জনগণের ম্যান্ডেট ছিল না' বলে দাবি"
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
বিগত দেড় দশকে কেউ জনগণের ভোটে নির্বাচিত ছিলেন না: সংসদে প্রধানমন্ত্রীনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা দীর্ঘ দেড় দশকের দুঃশাসন ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে 'জনগণের সংসদ' হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নবনির্বাচিত সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া স্বাগত বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।বক্তব্যের মূল পয়েন্টসমূহ:ভোটহীন জনপ্রতিনিধিত্বের সমালোচনা: প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বিগত দেড় দশকে জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ওই সময়ের এমপিদের কেউ জনগণের ভোটে নির্বাচিত ছিলেন না। আজ প্রকৃত অর্থেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে এই সংসদ গঠিত হয়েছে।"গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তঋণ: নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, "আপনারা গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তঋণে প্রতিষ্ঠিত সংসদের অভিভাবক নির্বাচিত হয়েছেন। আজ থেকে আপনারা কোনো দলের নন, বরং পুরো সংসদের অভিভাবক।"সংসদকে প্রাণবন্ত করার আহ্বান: বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা না করে শাণিত যুক্তিতর্কের মাধ্যমে সংসদকে কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে, সংসদকে অর্থবহ করতে সরকারি দল থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।জনগণের প্রত্যাশা: দেশের মানুষ এই সংসদের দিকে গভীর প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থই হবে এই সংসদের মূল অগ্রাধিকার।বিশ্লেষণ ও প্রেক্ষাপট:২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত এই প্রথম সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর বক্তব্যে বিগত তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) সমালোচনা ফুটে উঠেছে এবং নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর