প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ফেসবুক পোস্ট-কমেন্টের বিরোধে যুবক খুন, সিলেটে গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট ও কমেন্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রাসেল আহমদ শাহ (২৩) নিহতের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। বুধবার (৭ অক্টোবর) সুনামগঞ্জ সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার দুজন হলেন সিলাম শেখপাড়ার আব্দুল মুকিত মকুর ছেলে ইয়াসির আহমেদ ফাহিম এবং আচার মিয়ার ছেলে আব্দুস সামাদ। তবে গ্রেপ্তারের পর এখনো তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানিয়েছে মোগলাবাজার থানা-পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট ও তাতে অন্য পক্ষের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে বিরোধের সূত্রপাত হয়।গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর দক্ষিণ সুরমার সিলাম চকেরবাজার এলাকায় এ বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি হন। প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।একপর্যায়ে রাসেল আহমদ শাহ ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।আহত রাসেলকে দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।রাসেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। পরে দুই পক্ষ ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা ও মোগলাবাজার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, রাসেল আহমদ শাহ হত্যা মামলায় সুনামগঞ্জ থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি।তবে গ্রেপ্তার দুজনকে এখনো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি বলে জানান তিনি। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।ময়নাতদন্ত শেষে গত শনিবার রাসেল আহমদ শাহের দাফন সম্পন্ন হয়। এর পরদিন রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নিহতের মা মোছাম্মৎ রাজনা বেগম মোগলাবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলায় নির্দিষ্ট কয়েকজনের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ কীভাবে সংঘর্ষ এবং হত্যাকাণ্ডে গড়াল, তা এখন তদন্তের বিষয়।পুলিশ বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে সংঘর্ষের পেছনের কারণ এবং প্রত্যেকের ভূমিকা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ হাবিব
বিজ্ঞাপন ও তথ্য দিতেঃ 01860-519390
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর