প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রূপগঞ্জে ড্রেন থেকে হাত-পা বাঁধা যুবকের মরদেহ উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচল নতুন শহর আবাসন প্রকল্পের একটি ড্রেন থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মোদাছের মিয়া (২৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের একদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে পূর্বাচলের ৯ নম্বর সেক্টরের ৭ নম্বর প্লটের ৩২৬ নম্বর সড়কসংলগ্ন একটি ড্রেন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পাশে ছুরিসদৃশ একটি বস্তু পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।নিহত মোদাছের মিয়া আড়াইহাজার পৌরসভার নাগেরচর এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি নিখোঁজ হন।ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে ওই দিনই আড়াইহাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা হারুন মিয়া।এর একদিন পর বুধবার সকালে পূর্বাচল নতুন শহর আবাসন প্রকল্পের একটি ড্রেনে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ।খবর পেয়ে পূর্বাচল ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই হারুন ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে ড্রেন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মরদেহটির হাত-পা বাঁধা ছিল। এর পাশে ছুরিসদৃশ একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যায়।পরে আড়াইহাজার থানায় করা নিখোঁজের জিডির তথ্যের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় মিলিয়ে দেখা হয়। প্রাথমিকভাবে মরদেহটি নিখোঁজ মোদাছের মিয়ার বলে শনাক্ত করা হয়েছে।আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন বলেন, মোদাছেরের মৃত্যুর কারণ এবং এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত করছে।তিনি জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানা সম্ভব হবে।মরদেহটি কীভাবে সেখানে গেল, কখন এবং কীভাবে মোদাছেরের মৃত্যু হয়েছে, তাকে কারা সেখানে নিয়ে গেছে এবং ঘটনার সঙ্গে ছুরিসদৃশ বস্তুটির কোনো সম্পর্ক আছে কি না—এসব বিষয় এখন তদন্তের আওতায় রয়েছে।একজন যুবক ভোরে নিখোঁজ হওয়ার পরদিন একটি আবাসন প্রকল্পের ড্রেন থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনও মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একই সঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার আগে মোদাছের কোথায় ছিলেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল এবং তার চলাফেরার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ হাবিব
বিজ্ঞাপন ও তথ্য দিতেঃ 01860-519390
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর