প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে যোগ দেবেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে এ প্রাতরাশের আয়োজন করা হয়েছে। প্রাতরাশ শেষে প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে অংশ নেবেন।দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। এর মধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে।এ ছাড়া হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিলস-আইমের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।এসব বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে।দিনের কর্মসূচির শেষ দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের।রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাঁদের স্ত্রীদের সম্মানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে নিউইয়র্কে জড়ো হওয়া বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একই আয়োজনে অংশ নেবেন তাঁরা।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম ভাষণ। ফলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু এবং দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে তাঁর বক্তব্যের দিকে আন্তর্জাতিক মহলের নজর থাকবে।জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের স্বাগত প্রাতরাশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান।তুরস্ক, ভুটান, বিশ্বব্যাংক ও হাইতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্টের আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের অভ্যর্থনাতেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।২৪ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএতে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এটি তাঁর প্রথম ভাষণ।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন সাধারণত একসঙ্গে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করে। বাংলাদেশের জন্যও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকগুলো আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অর্থনীতি, উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলো আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে। তবে এসব বৈঠকের ফলাফল বা নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো প্রত্যাশাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ হাবিব
বিজ্ঞাপন ও তথ্য দিতেঃ 01860-519390
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর