প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৫
মঙ্গলবার বিকেলে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা
||
আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করবে।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘোষণাপত্র পাঠকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ও জনসমাগম ব্যবস্থাপনা নেওয়া হয়েছে।এ দিনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। এ উপলক্ষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘৩৬ জুলাই’ শিরোনামে দিনব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন রাখা হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে।জনসমাগম বেশি হওয়ার আশঙ্কায় ওই এলাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখবে পুলিশ। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করবে বলে জানা গেছে।দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক কর্মসূচি শুরু হবে সকাল ১১টায় ‘টং’ এর গান পরিবেশনার মাধ্যমে। এরপর একে একে মঞ্চে আসবে সাইমুম শিল্পী গোষ্ঠী, কলরব শিল্পী গোষ্ঠী, নাহিদ ও তাশফি।দুপুর ১টায় নামাজের বিরতি থাকবে। এরপর আবার শুরু হবে সংগীত পরিবেশনা। চিটাগাং হিপহপ হুড, সেজান ও শূন্য ব্যান্ড পারফর্ম করবে।দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে বিশেষভাবে উদযাপন করা হবে ‘ফ্যাসিস্টের পলায়ন ক্ষণ’। এই সময়টিকে কেন্দ্র করে আলাদা কর্মসূচি রাখা হয়েছে।এরপর আবার শুরু হবে কনসার্ট পর্ব। সায়ান, ইথুন বাবু ও মৌসুমি, সোলস এবং জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ মঞ্চে পারফর্ম করবে।আসরের নামাজের বিরতির পর বিকেল ৫টায় মূল অনুষ্ঠান হিসেবে পাঠ করা হবে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।ঘোষণাপত্র পাঠের পর আবারও শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বেসিক গিটার লার্নিং স্কুল, এফ মাইনর এবং পারশা পারফর্ম করবে। মাগরিবের নামাজের বিরতির পর এলিটা করিম গান পরিবেশন করবেন। এরপর থাকবে বিশেষ ড্রোন শো।সবশেষে জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘আর্টসেল’ এর পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হবে দিনব্যাপী এই আয়োজন।‘জুলাই ঘোষণাপত্র’কে ঘিরে সরকার একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা দিতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘোষণাপত্রকে গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনায় ভূমিকা রাখতে পারে।বাংলাদেশে জাতীয় দিবস ও ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় পরিসরে সাংস্কৃতিক আয়োজন করার রীতি রয়েছে। স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস এবং একুশে ফেব্রুয়ারির মতো দিনগুলোতে এমন আয়োজন নিয়মিত দেখা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রীয় ঘোষণার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যুক্ত হলে তা সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ায় এবং সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।???? উপসংহার
আগামীকালের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ ঘিরে রাজধানী ঢাকায় একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসছে, অন্যদিকে চলছে বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। দিনব্যাপী এই কর্মসূচি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ হাবিব
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুর কাদের জিলানী
বিজ্ঞাপন ও তথ্য দিতেঃ 01860-519390
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর