প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
শেরপুরে দুই থানায় নবাগত পুলিশ সুপারের পরিদর্শন, জননিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
শেরপুরে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই মাঠপর্যায়ে সক্রিয়তা দেখালেন নবাগত পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম। ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী থানায় সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেন।রবিবার (০৩ মে ২০২৬) বিকেলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই পরিদর্শনের মাধ্যমে থানার সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী থানায় নবাগত পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি থানার কার্যক্রম, পুলিশ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন নির্দেশনা দেন।ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনারপরিদর্শন উপলক্ষে ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী থানায় পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নবাগত পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।এ সময় থানার কর্মকর্তারা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানান এবং থানার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময়পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানায় কর্মরত সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের আবাসন ব্যবস্থা, খাবারের মান, ছুটি ও অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।পুলিশ সদস্যদের মনোবল বাড়াতে তিনি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ সদস্য বলেন, “উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সরাসরি খোঁজখবর নেওয়া আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয়। এতে কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ে।”জননিরাপত্তা জোরদারে নির্দেশনাপুলিশ সুপার তার বক্তব্যে থানার কর্মকর্তাদের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং ওয়ারেন্ট তামিলে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।এছাড়াও চুরি-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে।তিনি মামলার তদন্তে গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিপরিদর্শনকালে সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) আফসান-আল-আলম, ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম এবং শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নুরুল আলম উপস্থিত ছিলেন।এছাড়াও থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।প্রভাব ও বিশ্লেষণ: মাঠপর্যায়ে তৎপরতার ইঙ্গিতবিশ্লেষকদের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই থানাগুলো পরিদর্শন করা পুলিশের কার্যক্রমে গতি আনতে সহায়ক হতে পারে। “শেরপুর পুলিশ কার্যক্রম” এবং “থানা পরিদর্শন” এ ধরনের উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।তারা মনে করেন, নিয়মিত তদারকি থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জনসাধারণের আস্থা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।প্রশাসনের ভূমিকা ও করণীয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও জরুরি।নিয়মিত টহল, তথ্য সংগ্রহ এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ আরও কার্যকর করা সম্ভব।ব্যালান্সড রিপোর্টিংথানার কার্যক্রম এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের পৃথক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।উপসংহারশেরপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের এই পরিদর্শন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারাবাহিক তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ হাবিব
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুর কাদের জিলানী
বিজ্ঞাপন ও তথ্য দিতেঃ 01860-519390
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর