বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এমন এক জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে, যেখানে আমদানিনির্ভরতা কমে বাড়বে নিজেদের সক্ষমতা। আর সেই পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবেই জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদে চালু হলো এক মেগাওয়াট ক্ষমতার ‘অন-গ্রিড রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ’ প্রকল্প। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এটি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নয়, বরং বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি দৃশ্যমান বার্তা।
রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ঘিরে জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আর সেই জায়গায় সৌরশক্তিকে ভবিষ্যতের অন্যতম ভরসা হিসেবে দেখছে সরকার।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। সেই ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে সরকার একটি প্রতীকী বার্তা দিতে চেয়েছে—নেতৃত্ব শুধু কথায় নয়, বাস্তব উদ্যোগেও দেখাতে হয়।
তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, জলবায়ু সংকট এবং ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এখন প্রতিটি দেশ বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। বাংলাদেশও সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব বাড়াচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “টেকসই জ্বালানির পথে হাঁটা এখন আর কেবল পরিবেশ রক্ষার বিষয় নয়, এটি অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি জড়িত।”
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তবে সেই চাহিদা পূরণে এখনো বড় অংশজুড়ে রয়েছে আমদানিনির্ভর জ্বালানি। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দামের ওঠানামা দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
এই বাস্তবতায় সৌরবিদ্যুৎকে তুলনামূলক নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রতি বর্গকিলোমিটারে সাড়ে চার থেকে পাঁচ কিলোওয়াট ঘণ্টা পর্যন্ত সৌরশক্তি পাওয়া যায়। দেশের অসংখ্য ভবনের ছাদ, শিল্প এলাকা ও উপকূলীয় অঞ্চল কাজে লাগাতে পারলে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, সরকারি ভবনগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক করা গেলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়ও কমতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনের মতো সমস্যাগুলো এখন বাংলাদেশের প্রতিদিনের বাস্তবতা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। ফলে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তর শুধু উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সঙ্গেও সম্পর্কিত।
একাধিক পরিবেশবিদের মতে, দেশের শহরাঞ্চলে এখনও বিপুলসংখ্যক ভবনের ছাদ অব্যবহৃত পড়ে আছে। সেগুলোকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা গেলে একদিকে যেমন বিদ্যুতের বিকল্প উৎস তৈরি হবে, অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণও কমবে।
তবে বাস্তবতা হলো, সাধারণ মানুষের কাছে এখনো সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের খরচ তুলনামূলক বেশি মনে হয়। ফলে সহজ ঋণ, কর সুবিধা ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সহায়তা ছাড়া বড় পরিবর্তন আনা কঠিন বলেও মনে করছেন অনেকে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আলোচনা নতুন নয়, তবে বাস্তবায়নের গতি দীর্ঘদিন ধরেই ধীর। অনেক প্রকল্প ঘোষণার পরও সময়মতো শেষ হয়নি—এমন অভিযোগও রয়েছে।
এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হওয়াকে প্রতীকীভাবে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বড় সরকারি প্রতিষ্ঠান যখন পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করে, তখন সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ে। এটি ধীরে ধীরে সামাজিক আচরণেও প্রভাব ফেলে।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এখন জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। ফলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন উদ্যোগ তাদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুপ্রাণিত করবে। সবাই অংশ নিলে বাংলাদেশ দ্রুত টেকসই উন্নয়নের একটি কার্যকর মডেলে পরিণত হতে পারে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে একই দিনে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি) কর্তৃপক্ষ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দেশের পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
সিআরপির কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম, আধুনিক চিকিৎসাসেবা এবং সড়ক দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়া মানুষের পুনর্বাসনের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী সিআরপির দীর্ঘদিনের সেবামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এমন এক জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে, যেখানে আমদানিনির্ভরতা কমে বাড়বে নিজেদের সক্ষমতা। আর সেই পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবেই জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদে চালু হলো এক মেগাওয়াট ক্ষমতার ‘অন-গ্রিড রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ’ প্রকল্প। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এটি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নয়, বরং বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি দৃশ্যমান বার্তা।
রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ঘিরে জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আর সেই জায়গায় সৌরশক্তিকে ভবিষ্যতের অন্যতম ভরসা হিসেবে দেখছে সরকার।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। সেই ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে সরকার একটি প্রতীকী বার্তা দিতে চেয়েছে—নেতৃত্ব শুধু কথায় নয়, বাস্তব উদ্যোগেও দেখাতে হয়।
তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, জলবায়ু সংকট এবং ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এখন প্রতিটি দেশ বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। বাংলাদেশও সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব বাড়াচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “টেকসই জ্বালানির পথে হাঁটা এখন আর কেবল পরিবেশ রক্ষার বিষয় নয়, এটি অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি জড়িত।”
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তবে সেই চাহিদা পূরণে এখনো বড় অংশজুড়ে রয়েছে আমদানিনির্ভর জ্বালানি। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দামের ওঠানামা দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
এই বাস্তবতায় সৌরবিদ্যুৎকে তুলনামূলক নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রতি বর্গকিলোমিটারে সাড়ে চার থেকে পাঁচ কিলোওয়াট ঘণ্টা পর্যন্ত সৌরশক্তি পাওয়া যায়। দেশের অসংখ্য ভবনের ছাদ, শিল্প এলাকা ও উপকূলীয় অঞ্চল কাজে লাগাতে পারলে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, সরকারি ভবনগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক করা গেলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়ও কমতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনের মতো সমস্যাগুলো এখন বাংলাদেশের প্রতিদিনের বাস্তবতা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। ফলে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তর শুধু উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সঙ্গেও সম্পর্কিত।
একাধিক পরিবেশবিদের মতে, দেশের শহরাঞ্চলে এখনও বিপুলসংখ্যক ভবনের ছাদ অব্যবহৃত পড়ে আছে। সেগুলোকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা গেলে একদিকে যেমন বিদ্যুতের বিকল্প উৎস তৈরি হবে, অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণও কমবে।
তবে বাস্তবতা হলো, সাধারণ মানুষের কাছে এখনো সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের খরচ তুলনামূলক বেশি মনে হয়। ফলে সহজ ঋণ, কর সুবিধা ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সহায়তা ছাড়া বড় পরিবর্তন আনা কঠিন বলেও মনে করছেন অনেকে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আলোচনা নতুন নয়, তবে বাস্তবায়নের গতি দীর্ঘদিন ধরেই ধীর। অনেক প্রকল্প ঘোষণার পরও সময়মতো শেষ হয়নি—এমন অভিযোগও রয়েছে।
এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হওয়াকে প্রতীকীভাবে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বড় সরকারি প্রতিষ্ঠান যখন পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করে, তখন সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ে। এটি ধীরে ধীরে সামাজিক আচরণেও প্রভাব ফেলে।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এখন জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। ফলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন উদ্যোগ তাদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুপ্রাণিত করবে। সবাই অংশ নিলে বাংলাদেশ দ্রুত টেকসই উন্নয়নের একটি কার্যকর মডেলে পরিণত হতে পারে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে একই দিনে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি) কর্তৃপক্ষ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দেশের পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
সিআরপির কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম, আধুনিক চিকিৎসাসেবা এবং সড়ক দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়া মানুষের পুনর্বাসনের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী সিআরপির দীর্ঘদিনের সেবামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন