রাজধানীর তুরাগ এলাকায় ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের জানমাল ও বাসাবাড়ির নিরাপত্তায় বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তুরাগ মডেল থানা পুলিশ। একই সঙ্গে মাদক, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানিয়েছেন থানার নবনিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২৪ দিনের মধ্যেই বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৯৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসামি মাদক মামলা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
ঈদের ছুটিতে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যান লাখো মানুষ। ফলে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মতো তুরাগের অনেক বাসা-বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কারখানাও কয়েক দিনের জন্য প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়ে। এই সুযোগে চুরি, ডাকাতি কিংবা অন্য অপরাধের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে মনে করছে পুলিশ।
এমন বাস্তবতায় তুরাগ মডেল থানা এলাকায় বাড়তি নজরদারি, টহল এবং বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “মানুষ যেন নিশ্চিন্তে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”
ঈদে বাড়ি যাওয়ার আগে বাসিন্দাদের কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার কিংবা মূল্যবান জিনিসপত্র ঘরে ফেলে না রেখে সম্ভব হলে সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।
তিনি জানান, কেউ চাইলে মূল্যবান সামগ্রী নিকটস্থ থানায় নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন। এছাড়া ঢাকায় অবস্থানরত বিশ্বস্ত আত্মীয় বা পরিচিত কারও বাসায়ও গুরুত্বপূর্ণ জিনিস রেখে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
বাসা-বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের উদ্দেশ্যে ওসি বলেন, ছুটির সময় নিরাপত্তা প্রহরীরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল আছে কি না, সেটিও আগে থেকেই পরীক্ষা করে নিতে বলা হয়েছে।
বক্তব্যঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নির্দেশনায় তুরাগ এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
এর অংশ হিসেবে ঈদের আগে ও পরে এলাকাভিত্তিক বিশেষ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় অধিকাংশ বাসিন্দা গ্রামের বাড়িতে চলে যাবেন, সেসব এলাকায় বাড়তি নজরদারি থাকবে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ফুট পেট্রোল এবং মোবাইল পেট্রোল টিম দিন-রাত দায়িত্ব পালন করবে। সন্দেহজনক চলাচল, ফাঁকা বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা কিংবা অপরাধমূলক তৎপরতা ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিযান জোরদারের কথাও তুলে ধরেছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, “মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে ২৯৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী, বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরাও রয়েছে।”
পুলিশের দাবি, চলমান অভিযানের ফলে এলাকায় অপরাধের প্রবণতা কিছুটা কমেছে। তবে অপরাধচক্র পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তুরাগ এলাকার অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, তরুণদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া উদ্বেগজনক। অনেক ক্ষেত্রে কিশোর গ্যাং ছিনতাই, মারামারি এবং মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
এ কারণে এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতিতে অভিযান চালানো হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও সন্তানদের প্রতি নজর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
মাদক ও ছিনতাইয়ের পাশাপাশি তুরাগ এলাকায় ভূমি দখল, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন থানার এই কর্মকর্তা।
তার ভাষ্য, সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে মনে করছেন, ঈদ সামনে রেখে পুলিশের বাড়তি তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে।
বিশেষ করে ফাঁকা বাসাবাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে যাদের উদ্বেগ ছিল, তারা পুলিশের ঘোষিত টহল ও নজরদারি পরিকল্পনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে অনেকে বলছেন, শুধু ঈদ নয়, সারা বছরই নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে।
রাজধানীর উপকণ্ঠের অনেক এলাকার মতো তুরাগেও দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত বসতি এবং অপরাধচক্রের সক্রিয়তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে বেকারত্ব, মাদকের বিস্তার এবং সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে তরুণদের একাংশ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, শুধু পুলিশি অভিযান নয়, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সচেতনতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো গেলে অপরাধপ্রবণতা কমানো সম্ভব হতে পারে।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে তুরাগ মডেল থানার বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও অপরাধবিরোধী অভিযানের ঘোষণায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তির বার্তা মিলেছে। পুলিশের দাবি, নাগরিকদের জানমাল রক্ষায় মাঠপর্যায়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, ঘোষিত টহল, নজরদারি এবং অভিযান বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং ঈদের সময় এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কতটা সফল হতে পারে তুরাগ থানা পুলিশ।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানীর তুরাগ এলাকায় ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের জানমাল ও বাসাবাড়ির নিরাপত্তায় বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তুরাগ মডেল থানা পুলিশ। একই সঙ্গে মাদক, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানিয়েছেন থানার নবনিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২৪ দিনের মধ্যেই বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৯৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসামি মাদক মামলা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
ঈদের ছুটিতে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যান লাখো মানুষ। ফলে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মতো তুরাগের অনেক বাসা-বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কারখানাও কয়েক দিনের জন্য প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়ে। এই সুযোগে চুরি, ডাকাতি কিংবা অন্য অপরাধের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে মনে করছে পুলিশ।
এমন বাস্তবতায় তুরাগ মডেল থানা এলাকায় বাড়তি নজরদারি, টহল এবং বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “মানুষ যেন নিশ্চিন্তে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”
ঈদে বাড়ি যাওয়ার আগে বাসিন্দাদের কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার কিংবা মূল্যবান জিনিসপত্র ঘরে ফেলে না রেখে সম্ভব হলে সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।
তিনি জানান, কেউ চাইলে মূল্যবান সামগ্রী নিকটস্থ থানায় নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন। এছাড়া ঢাকায় অবস্থানরত বিশ্বস্ত আত্মীয় বা পরিচিত কারও বাসায়ও গুরুত্বপূর্ণ জিনিস রেখে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
বাসা-বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের উদ্দেশ্যে ওসি বলেন, ছুটির সময় নিরাপত্তা প্রহরীরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল আছে কি না, সেটিও আগে থেকেই পরীক্ষা করে নিতে বলা হয়েছে।
বক্তব্যঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নির্দেশনায় তুরাগ এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
এর অংশ হিসেবে ঈদের আগে ও পরে এলাকাভিত্তিক বিশেষ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় অধিকাংশ বাসিন্দা গ্রামের বাড়িতে চলে যাবেন, সেসব এলাকায় বাড়তি নজরদারি থাকবে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ফুট পেট্রোল এবং মোবাইল পেট্রোল টিম দিন-রাত দায়িত্ব পালন করবে। সন্দেহজনক চলাচল, ফাঁকা বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা কিংবা অপরাধমূলক তৎপরতা ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিযান জোরদারের কথাও তুলে ধরেছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, “মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে ২৯৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী, বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরাও রয়েছে।”
পুলিশের দাবি, চলমান অভিযানের ফলে এলাকায় অপরাধের প্রবণতা কিছুটা কমেছে। তবে অপরাধচক্র পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তুরাগ এলাকার অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, তরুণদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া উদ্বেগজনক। অনেক ক্ষেত্রে কিশোর গ্যাং ছিনতাই, মারামারি এবং মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
এ কারণে এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতিতে অভিযান চালানো হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও সন্তানদের প্রতি নজর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
মাদক ও ছিনতাইয়ের পাশাপাশি তুরাগ এলাকায় ভূমি দখল, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন থানার এই কর্মকর্তা।
তার ভাষ্য, সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ পেলেই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে মনে করছেন, ঈদ সামনে রেখে পুলিশের বাড়তি তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে।
বিশেষ করে ফাঁকা বাসাবাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে যাদের উদ্বেগ ছিল, তারা পুলিশের ঘোষিত টহল ও নজরদারি পরিকল্পনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে অনেকে বলছেন, শুধু ঈদ নয়, সারা বছরই নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে।
রাজধানীর উপকণ্ঠের অনেক এলাকার মতো তুরাগেও দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত বসতি এবং অপরাধচক্রের সক্রিয়তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে বেকারত্ব, মাদকের বিস্তার এবং সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে তরুণদের একাংশ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, শুধু পুলিশি অভিযান নয়, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সচেতনতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো গেলে অপরাধপ্রবণতা কমানো সম্ভব হতে পারে।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে তুরাগ মডেল থানার বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও অপরাধবিরোধী অভিযানের ঘোষণায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তির বার্তা মিলেছে। পুলিশের দাবি, নাগরিকদের জানমাল রক্ষায় মাঠপর্যায়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, ঘোষিত টহল, নজরদারি এবং অভিযান বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং ঈদের সময় এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কতটা সফল হতে পারে তুরাগ থানা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন